নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কায় অভিভাবকরা

শেয়ার করুন

নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচন নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কায় অভিভাবকরা

সোনারগাঁও উপজেলার নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে আতঙ্কিত আছেন অভিভাবক ভোটাররা। কারণ হিসেবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সচেতন অভিভাবক এই প্রতিবেদককে জানান,সম্প্রতি অনুষ্ঠিতব্য সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার সময় বহিরাগত সন্ত্রাসীরা এসে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেয়।

এসময় উভয় প্যানেলের অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন লোক মারাত্নকভাবে রক্তাক্ত জখম হয়।সেই সময় সোনারগাঁও থানার পুলিশ সদস্যরা অনেক কষ্টে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।পরবর্তীতে এই মারামারির ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় কমপক্ষে ৩০/৩৫ জন আসামী হয়ে দীর্ঘদিন ফেরারি থাকতে হয়েছিলো।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,একটি স্কুলের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকেরা লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে নিয়ে আসার কারণেই তারা অস্ত্র নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করে পুলিশের সামনেই এমন সন্ত্রাসী হামলা চালাতে পেরেছে।

তার কিছুদিন পর সম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচনেও বহিরাগত সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী বিদ্যালয় মাঠে প্রবেশ করে আতঙ্ক সৃষ্টি করায় এবং অবৈধ টাকার ছড়াছড়ির কারণে ভোট গণনার পর ফলাফল ঘোষনার সময় ভোটারদের চেয়ে ভোট কাষ্ট বেশি দেখিয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ উঠে।এসব কারণে নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্বাচনও কি এমন পরিস্থিতি হবে? নাকি বহিরাগত সন্ত্রাসীদের আগমণ হলে নির্বিঘ্নে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবে কি না এই নিয়ে শঙ্কিত অভিভাবকরা।

তাই বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ণের কথা বিবেচনা করে এবং ভোটারদের নিরাপত্তায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সহ অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের প্রবেশ বন্ধ করে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী জানিয়েন নোয়াগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক ভোটাররা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.